বিজয় দিবস প্রাপ্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ এবং দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধ ।
আমদের বিজয় দিবসটি আসলে কি ?
আমাদের মুক্তিযোদ্ধা কারা?
আমার মতে যারা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছে শুধু তারাই মুক্তিযোদ্ধা নয়। মুক্তিযোদ্ধা হলো তারাই যারা প্রতক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে দেশকে স্বাধীন করার জন্য অংশগ্রহন করেছে। যারা দেশের ভাষা , সংস্কৃতি, সার্বোবেত্বের জন্য লড়াই করেছে তারাই মুক্তিযোদ্ধা।
যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার যোগার দিয়েছেন তারা মুক্তিযোদ্ধা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তারা তো কোনো সার্টিফিকেটের জন্য যুদ্ধ করেন নি । তারা যুদ্ধ করেছেন দেশকে স্বাধীন করার জন্য। কিন্ত হায়! যে মুক্তি যোদ্ধাদের সার্টিফিকেট নাই তাদেরকে আমরা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মানি না।
বিজয় দিবস প্রাপ্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগঃ
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছে আমাদের স্বাধীনতা দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এবং লক্ষ শহীদের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। এ বিজয় অর্জনের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক ত্যাক শিকার করতে হয়েছে। অনাহারে বনে জঙ্গলে কাটাতে হয়েছে দিন-রাত। পাকিস্তানি শত্রু সেনাদের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। লাখো লাখো মুক্তিযোদ্ধা তাদের মা বোন সন্তানদের হারাতে হয়েছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের হাত পা হারাতে হয়েছে। তাই বলবো দেশকে বিজয় করার জন্য তাদের ত্যাগ অপরিসীম।
দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধঃ
আমরা বাংলাদেশী, এদেশের প্রতি আমাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। আমরা সবাই সবার জায়গা থেকে দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করবো। যার যতটুকু সাধ্য আছে তাই দিয়ে চেষ্টা করবো।
দেশ আমাকে কি দিয়েছে? আমার প্রতি কি দায়িত্ব পালন করেছে? এসব কথা না বলে বরং বলি দেশকে আমি কি দিয়েছি। দেশের প্রতি আমার কি কর্তব্য আমি কি তা পালন করতে পেরেছি তা আগে চিন্তা করতে হবে ।
দায়িত্বঃ
* দেশের আইন-কানুন মেনে চলতে হবে।
* সরকারকে নিয়মিত কর প্রদান করতে হবে।
* দেশের সার্বভৌম রক্ষায় কাজ করতে হবে।
* কোন রকম যেন অরাজগতা সৃষ্টি না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
* দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করতে হবে।
শোন বলি একটি দেশের কথা
তখন ছিল না তার স্বাধীনতা ।
পূর্ব পাকিস্তান ছিল তার নাম,
পশ্চিম পাকিস্তানকে দিতে হতো এনাম।
বাংলা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা,
এ ভাষা করবে উর্দু তাদের মনের আশা।
পূর্ব পাকিস্তানের যত আয়,
তারা করে নিতো তাদের নেয়।
মানবে না বাঙালী এ পরাজয়,
করতে হবে তাদের দেশ একদিন বিজয়।
বঙ্গবন্ধুর আহবানে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ,
ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হয় চলে নয় মাস যুদ্ধ।
অবশেষে তারা হলো পরাধীন
বাঙালী হলো স্বাধীন।
বিশ্ব মানচিত্রে পেলো স্বীকৃতি,
জন্ম হলো একটি দেশ
বাংলাদেশ নামে জ্যোতি।
১৬ই ডিসেম্বর আমদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ন দিন। দিনটি আমাদের জন্য একটি গৌরবের দিন। নয় মাস রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিজয় দিবসটি পেয়েছি। পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ। এই বিজয় দিবসটি কি আমরা সহজে পেয়েছি? না পাই নাই। অনেক আন্দলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পেয়েছি স্বাধীনতা। ৩০ লক্ষ শহীদ এবং লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে পেয়েছি আমাদের বিজয় দিবস। বিজয় দিবস আসলে এমন একটি দিন যে দিনটি আমদের মুক্তি যুদ্ধ আর মুক্তি যোদ্ধাদের কথা স্মরন করিয়ে দেয়।
আমাদের মুক্তিযোদ্ধা কারা?
আমার মতে যারা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেছে শুধু তারাই মুক্তিযোদ্ধা নয়। মুক্তিযোদ্ধা হলো তারাই যারা প্রতক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে দেশকে স্বাধীন করার জন্য অংশগ্রহন করেছে। যারা দেশের ভাষা , সংস্কৃতি, সার্বোবেত্বের জন্য লড়াই করেছে তারাই মুক্তিযোদ্ধা।
যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার যোগার দিয়েছেন তারা মুক্তিযোদ্ধা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তারা তো কোনো সার্টিফিকেটের জন্য যুদ্ধ করেন নি । তারা যুদ্ধ করেছেন দেশকে স্বাধীন করার জন্য। কিন্ত হায়! যে মুক্তি যোদ্ধাদের সার্টিফিকেট নাই তাদেরকে আমরা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মানি না।
বিজয় দিবস প্রাপ্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগঃ
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছে আমাদের স্বাধীনতা দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এবং লক্ষ শহীদের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। এ বিজয় অর্জনের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক ত্যাক শিকার করতে হয়েছে। অনাহারে বনে জঙ্গলে কাটাতে হয়েছে দিন-রাত। পাকিস্তানি শত্রু সেনাদের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। লাখো লাখো মুক্তিযোদ্ধা তাদের মা বোন সন্তানদের হারাতে হয়েছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের হাত পা হারাতে হয়েছে। তাই বলবো দেশকে বিজয় করার জন্য তাদের ত্যাগ অপরিসীম।
দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধঃ
আমরা বাংলাদেশী, এদেশের প্রতি আমাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। আমরা সবাই সবার জায়গা থেকে দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করবো। যার যতটুকু সাধ্য আছে তাই দিয়ে চেষ্টা করবো।
দেশ আমাকে কি দিয়েছে? আমার প্রতি কি দায়িত্ব পালন করেছে? এসব কথা না বলে বরং বলি দেশকে আমি কি দিয়েছি। দেশের প্রতি আমার কি কর্তব্য আমি কি তা পালন করতে পেরেছি তা আগে চিন্তা করতে হবে ।
দায়িত্বঃ
* দেশের আইন-কানুন মেনে চলতে হবে।
* সরকারকে নিয়মিত কর প্রদান করতে হবে।
* দেশের সার্বভৌম রক্ষায় কাজ করতে হবে।
* কোন রকম যেন অরাজগতা সৃষ্টি না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
* দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করতে হবে।
একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে দেশের প্রতি আমার কর্তব্য
একজন ডিজিটাল
মার্কেটার হিসেবে দেশের প্রতি আমার কর্তব্য বর্তমান সরকারের লক্ষ বাংলাদেশকে ২০২১ সালের
মধ্যে ডিজিটাল দেশ হিসেবে গড়ে তোলা | বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ | তথ্য প্রযুক্তির মধ্যমে দেশকে উন্নতির দিকে নেয়া সম্ভব | তাই সরকার আইসিটি ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে| ডিজিটাল মার্কেটিং হলো আইসিটি ক্ষেত্রে দেশকে
উন্নয়নের একটি অন্যতম মাধ্যম| ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায় | বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ফলে দেশে রেমিটেন্স
বৃদ্ধি পাবে | ফলে দেশে অর্থনৈতিক দিক থেকে উন্নতির দিকে অগ্রসর
হবে | দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন হবে | ডিজিটাল মার্কেটাররাই পারে একটি দেশকে সহজেই
অন্য দেশের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে | ডিজিটাল মার্কেটাররাই পারে চাকরীর জন্য বসে না থেকে আত্মকর্মসংস্হান সৃষ্টি
করতে | তাই বলবো একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে আমি
গর্ববোধ করি |
কোন মন্তব্য নেই